অর্থনীতিযাচাই চলছে

আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে সরকার ‘আশাবাদী’: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে সরকার ‘আশাবাদী’: অর্থমন্ত্রী
এক নজরে
  • উল্লেখ্য, আগের সরকারের নেওয়া ৫৫০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির বিভিন্ন শর্ত নিয়ে মতবিরোধের জেরে আইএমএফের বিদ্যমান কর্মসূচি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ
  • আগামী দুই দিন নতুন ঋণ পাওয়ার বিষয়ে আরও আলোচনা হবে

সোমবার (১২ অক্টোবর) ব্যাংককে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুটের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

’ আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের উচ্চমূল্যের কারণে দেশের অর্থনীতির জন্য একটি সুরক্ষাবলয় বা ‘কুশন’ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

’ এর আগে সোমবার সকালে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল ব্যাংককে আইএমএফের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আশা করছি, আইএমএফ আমাদের সঙ্গে একমত হবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে আলোচনার জন্য বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে।

’ তিনি আরও বলেন, ‘এই অংশীদারত্ব চুক্তির আওতায় শুধু প্রকল্পভিত্তিক অর্থায়ন নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি খাতের অস্থিরতা মোকাবিলায়ও একটি সুরক্ষাব্যবস্থা প্রয়োজন।

ঋণদাতা সংস্থাটির সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন এবং অর্থায়নের বিকল্প উৎস খুঁজে বের করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপি সরকারের মতে, কর্মসূচির কিছু শর্ত দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও জনস্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

কারণ, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যেসব বিষয় চাচ্ছে, তার বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের অবস্থানের সঙ্গে মিল রয়েছে।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।