দেশের চাকরির বাজারে প্রবেশ করা প্রতি ১০০ শিক্ষিত তরুণের ৩৬ জনই বেকার: আইএমএফ

- প্রতি ১০০ শিক্ষিত তরুণের ৩৬ জন বেকার: আইএমএফ
- বাংলাদেশে শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব ৩৬ শতাংশ
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ
- যুগান্তর ও প্রথম আলোর মতো দুই প্রতিষ্ঠিত মাধ্যমের প্রতিবেদনে একই তথ্য
দেশের চাকরির বাজারে প্রবেশ করা প্রতি ১০০ জন শিক্ষিত তরুণের মধ্যে ৩৬ জনই বেকার রয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আন্তর্জাতিক এই সংস্থার একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
যুগান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের চাকরির বাজারে প্রবেশ করা প্রতি ১০০ জন শিক্ষিত তরুণের ৩৬ জনই বেকার। প্রথম আলোর প্রতিবেদনেও বাংলাদেশের শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৩৬ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দুই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেই চিত্রটি স্পষ্ট—শিক্ষিত তরুণরা যত দ্রুত চাকরির বাজারে প্রবেশ করছেন, তাদের মধ্যেই এত বড় একটি অংশ কর্মসংস্থানের বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
আইএমএফের এই প্রতিবেদন বাংলাদেশের শ্রমবাজারে শিক্ষিত যুবসমাজের অবস্থা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু করেছে। উচ্চশিক্ষিত জনশক্তি যখন চাকরির সুযোগের অভাবে বেকার থাকছে, তখন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় দক্ষতাভিত্তিক কর্মসংস্থান তৈরির বিষয়টি আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। প্রতিবেদনটি যতটা না সংখ্যার হিসাব, তার চেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক—একটি বড় শিক্ষিত প্রজন্মের সামর্থ্যকে কাজে লাগানোর সুযোগ সংকুচিত হওয়া। তরুণদের উপযুক্ত কর্মসংস্থান নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে মানুষের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের গতি এবং অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতার ওপরও চাপ পড়তে পারে।
তবে প্রতিবেদনের বিস্তারিত হিসাবের বেশির ভাগ অংশই দুই প্রতিবেদনে সরাসরি প্রতিফলিত হয়নি। যা নিশ্চিত, তা হলো—বাংলাদেশের শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৩৬ শতাংশ, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানানো হয়েছে। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের এই ফারাক কমানোর দিকেই এখন নজর দিতে হবে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা। এই বেকারত্বের চিত্র অর্থনীতিতে দক্ষ জনশক্তির অংশগ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে জড়িত বলেই প্রতি হিসাবটি গুরুত্বপূর্ণ। চাকরির বাজারে প্রবেশকারী তরুণদের একটি বড় অংশ যখন বেকার থেকে যাচ্ছেন, তখন কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রসারিত করার চাহিদাও বাড়বে। মূল তথ্যটি দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে একইভাবে উঠে এসেছে, ফলে খবরটির ভিত্তি নির্ভরযোগ্য।
এই খবরটি যুগান্তর ও প্রথম আলো—দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে।