প্রযুক্তিযাচাই চলছে

এআই বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে নতুন সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
এআই বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে নতুন সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে
এক নজরে
  • এ জন্য প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা ও নীতিনির্ধারকদের একসঙ্গে কাজ করে ভবিষ্যতের আর্থিক সেবার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও মান গড়ে তুলতে হবে
  • গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য, সংবেদনশীল আর্থিক তথ্য এবং গোপনীয় রেকর্ড যেন কোনো অননুমোদিত এআই এজেন্ট হাতিয়ে নিতে না পারে, তার জন্য কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন
  • গত শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত বাংলাদেশ ফিনটেক সামিটের ষষ্ঠ সংস্করণে এসব তথ্য জানানো হয়

এআইসহ নতুন নতুন প্রযুক্তি বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে নতুন সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। ২০২৩ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ফিনটেক দুনিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ ফিনটেক ফোরামের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত দিনব্যাপী এ সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ, নগদবিহীন লেনদেন, ডিজিটাল আর্থিক খাতের রূপান্তর, প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবার সম্প্রসারণ এবং এ খাতের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

উদ্ভাবনের মাধ্যমে আর্থিক সেবাকে মানুষের জন্য আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করতে হবে।

একই সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য এআই মডেল প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন।

গ্রাহকসেবা থেকে শুরু করে আর্থিক ধারণাকে বদলে দিচ্ছে এআই।

সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপপ্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী সম্পাদক সাজিদ মাহবুব বলেন, ‘বাংলাদেশের ফিনটেক খাতের অগ্রগতি নির্ভর করবে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারকে আমরা কতটা স্থায়ী আর্থিক সক্ষমতায় রূপ দিতে পারি তার ওপর।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।