প্রযুক্তিযাচাই চলছে

এআইয়ের উন্নয়ন ও ব্যবহারে করপোরেট স্বার্থ বড় বাধা!

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
এআইয়ের উন্নয়ন ও ব্যবহারে করপোরেট স্বার্থ বড় বাধা!
এক নজরে
  • বিবিসির তার এক প্রতিবেদনে জনায় যে, গত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে এক বেনামি কোডার এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করেন, যেখানে এআইকে ‘ব্যথার সঙ্গে সম্পর্কিত গাণিতিক সংকেত’ দেওয়া হলে চ্যাটবটগুলো যন্ত্রণার ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানায়
  • এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিক তাদের চ্যাটবট ক্লডের সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণে নিরুৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়ায় বিতর্কটি আরও জোরালো হয়েছে
  • কেউ কেউ পরীক্ষাটিকে অনৈতিক বলে সমালোচনা করেন

মাইক্রোসফট এআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুস্তাফা সুলেইমান মনে করেন, এআইয়ের অনুভূতি ও অধিকার রয়েছে এমন ধারণা প্রতিষ্ঠিত হলে তা মানবসভ্যতার জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

এ কারণে প্রতিষ্ঠানটি এআই মডেলের কল্যাণ নিয়ে নীতিমালা তৈরিতে কাজ করছে।

একই সঙ্গে এআইয়ের ভুল বা ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগও তৈরি হতে পারে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কি সচেতন সত্তা হতে পারে, তারও কি অনুভূতি বা নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে?

প্রযুক্তি দুনিয়ায় এমন প্রশ্ন ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এআইয়ের অনুভূতি রয়েছে বলে মানুষের মধ্যে বিশ্বাস তৈরি হলে ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

অন্যরা এআইয়ের প্রকৃত অনুভূতি থাকার ধারণাকে অবাস্তব বলে উড়িয়ে দেন।

ব্যবহারকারীরা বিরক্তি প্রকাশ করলেও ধারাবাহিকভাবে মডেলের সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণে নিরুৎসাহিত করা হবে।

অ্যানথ্রোপিকের মতে, কিছু এআই ব্যবস্থার সচেতন হওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

পোল্যান্ডের জাগিলোনিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আন্দ্রেজ পোরেম্বস্কির মতে, এআইকে সচেতন সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হলে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের কর্মকাণ্ডের দায় এআইয়ের ওপর চাপানোর

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।