প্রযুক্তিযাচাই চলছে

এআই ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাওয়ার্ডের চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশের দুই শিক্ষার্থীর প্রকল্প

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
এআই ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাওয়ার্ডের চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশের দুই শিক্ষার্থীর প্রকল্প
এক নজরে
  • এআই ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাওয়ার্ডের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেওয়া বাকি চারটি প্রকল্প হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার ‘এআই–মোরিস’, তানজানিয়ার ‘ফায়ারপ্রেডিক্ট’ ও ‘ক্লাইমেইড’ এবং মালির ‘ক্লাইমেটভয়েস এআই’
  • ১৩ ও ১৪ অক্টোবর কম্বোডিয়ায় অনুষ্ঠেয় এআই ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামে শীর্ষ পাঁচটি প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরা হবে
  • এমন ভাবনা থেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছেন বাংলাদেশের দুই শিক্ষার্থী ফারিয়া ইসলাম ও মো. হাবিবুর রহমান

ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (ইউএনএফসিসিসি) টেকনোলজি এক্সিকিউটিভ কমিটি ও ক্লাইমেট টেকনোলজি সেন্টার অ্যান্ড নেটওয়ার্ক (সিটিসিএন) যৌথভাবে এ পুরস্কার দেবে।

বিজয়ী প্রকল্পটি আগামী নভেম্বরে তুরস্কে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের ৩১তম জলবায়ু সম্মেলন কপ৩১–এ উপস্থাপন করা হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্বল্পোন্নত দেশ ও ছোট দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক উদ্ভাবনী সমাধানকে স্বীকৃতি দেওয়াই এ পুরস্কারের লক্ষ্য।

ফারিয়া ইসলাম ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে (ইউল্যাব) কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে এবং হাবিবুর রহমান ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী।

এ অনুষ্ঠানেই প্রকল্পগুলো যাচাই–বাছাই শেষে ঘোষণা করা হবে এ বছরের বিজয়ী প্রকল্পের নাম।

ফারিয়া ইসলামের তথ্যমতে, দুর্যোগ ঘটে যাওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিবর্তে যদি আগে থেকেই জানা যায় কোথায় সবচেয়ে জরুরি কাজ করা প্রয়োজন, তাহলে সীমিত সম্পদ আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।