গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির দাম নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন

- গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির দাম বাড়ানো এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জের যৌক্তিকতা বিষয় নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্নের মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
- আইন অনুযায়ী, ২৩ বছরেও জ্বালানির দাম নির্ধারণে গণশুনানি-সংক্রান্ত প্রবিধান তৈরি না হওয়ায় এর কারণ জানতে চেয়েছেন কমিটির এক সদস্য
- নাজিবুর রহমান বলেন, ২০০৩ সালের বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইনের ৩৪ ধারায় বলা আছে, কমিশন শুনানির মাধ্যমে জ্বালানির দাম নির্ধারণ করবে
বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০০৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ ২ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ বিষয়ে নাজিবুর রহমান বলেন, ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়ে হাইকোর্টের একটি রায় রয়েছে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন কমিটির সদস্য জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান এবং এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
কমিটির আরেক সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ডিজেল হচ্ছে কৌশলগত জ্বালানি।
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অগ্রগতি কতটুকু, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য বৈঠকে দিতে পারেনি।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





