মধুমতি ব্যাংকের গ্রাহকের ৬৭ শতাংশ নারী

- শুধু এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ব্যাংকটির মোট গ্রাহকের প্রায় ৭০ শতাংশই নারী
- মূলধন পর্যাপ্ততার হার ১৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ নিয়ে ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি
- মানসম্মত ঋণ ব্যবস্থাপনার কারণে ২০২৫ সালে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের হার ছিল মাত্র ১ দশমিক ৯৯ শতাংশ
সার্বিক হিসাবে ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ব্যাংকটির মোট হিসাবসংখ্যা ৬ লাখ ৮১ হাজার ৫৪৯, যার মধ্যে ৬৬ দশমিক ৬৬ শতাংশই (৪ লাখ ৫৪ হাজার ৩৭০ জন) নারী গ্রাহকদের।
এ ঋণের সবচেয়ে বড় অংশ বা ৭৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ দেওয়া হয়েছে করপোরেট খাতে।
এ ছাড়া এসএমই ও কৃষি খাতে ২৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার আওতায় ২০১৯ সালে ‘গো স্মার্ট ইন্টারনেট ব্যাংকিং’ এবং ২০২৩ সালে ‘করপোরেট ইন্টারনেট ব্যাংকিং’ চালু করেছে মধুমতি ব্যাংক
দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙা করতে এবং নারীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় আনতে নীরবে কাজ করছে নতুন প্রজন্মের মধুমতি ব্যাংক পিএলসি।
ব্যাংকটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে ব্যাংকটির ৫৬টি শাখা, ৬টি উপশাখা এবং ৫৪টি এটিএম ও সিআরএম বুথ কাজ করছে।
এ কার্যক্রমে থাকা ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৫৪৭টি হিসাবের প্রায় ৭০ শতাংশই নারীদের, যা গ্রামীণ অর্থনীতি ও নারীর ক্ষমতায়নে বড় ভূমিকা রাখছে।
২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকটির মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২৯১ দশমিক ৮৭ কোটি টাকায়।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 2
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





