মহাকাশে গানের ইতিহাস: নক্ষত্রের মাঝে সুরের খোঁজ

- কন্ট্রোল রুমে মজা করে জানান যে, তারা একটি ইউএফও দেখতে পাচ্ছেন যেটি সান্তা ক্লজ চালাচ্ছেন
- ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো ১০ যখন চাঁদের উল্টোদিক প্রদক্ষিণ করছিল
- রকেট ইঞ্জিনিয়ার সের্গেই কোরোলেভের অনুরোধেই তিনি গানটি গেয়েছিলেন
মহাকাশে প্রথম গানের সুরটি কিন্তু কোনো রেকর্ড প্লেয়ার থেকে আসেনি, এসেছিল সরাসরি মানুষের কণ্ঠ থেকে।
১৯৬৫ সালে জেমিনি সিক্সএ মিশনের দুই নভোচারী ওয়াল্টার এম. শিরা জুনিয়র ও থমাস পি. স্ট্যাফোর্ড মহাকাশে প্রথম বাদ্যযন্ত্র বাজানোর রেকর্ড গড়েন।
স্নায়ুযুদ্ধের সেই গুমোট সময়ে নভোচারীদের এমন নির্ভেজাল মজা পৃথিবীর মানুষদের জন্য দারুণ এক স্বস্তির খবর ছিল।
ফ্র্যাঙ্ক সিনাত্রার বিখ্যাত গান ‘ফ্লাই মি টু দ্য মুন’ প্রথমবার চাঁদের কক্ষপথে বেজেছিল এই অ্যাপোলো ১০ মিশনেই।
নিল আর্মস্ট্রংয়ের পছন্দের তালিকায় ছিল ১৯৪৭ সালের লেস ব্যাক্সটারের অ্যালবাম
ভিনাইল রেকর্ডে পিন ছোঁয়ালেই যেমন জাদুকরী সুর বেজে ওঠে, মহাকাশের অনন্ত শূন্যতায়ও ঠিক তেমনি বারবার পৌঁছে গেছে পৃথিবীর গান।
পৃথিবী থেকে পাঠানো রেডিও সিগন্যাল হোক বা মহাকাশযানে নভোচারীদের নিয়ে যাওয়া ক্যাসেট—মহাশূন্যের তারায় তারায় যেন মিশে আছে মানুষের তৈরি সুর।
সোভিয়েত কসমোনট পাভেল পোপোভিচ মহাকাশে বসে গেয়ে ওঠেন ইউক্রেনীয় লোকগান ‘ওয়াচিং দ্য স্কাই অ্যান্ড থিংকিং আ থট’।
অ্যাপোলো মিশনগুলোও গানের ইতিহাসে বেশ গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 2
- বিডি নিউজ২৪-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ বিডিনিউজ২৪





