ষষ্ঠ শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, শিক্ষক ও দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা

- শিক্ষক নূর আলম সরদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রতিবেশী ও শিক্ষক হওয়ায় তিনি নিয়মিত ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন
- গত ২ জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে নানির অনুপস্থিতিতে ওই দুজন শিশুটিকে ধর্ষণ করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে
- এজাহারে বলা হয়েছে, বয়স কম হওয়া ও লোকলজ্জার ভয়ে শিশুটি এত দিন কাউকে বিষয়টি জানায়নি
মামলার আসামিরা হলেন ওই মাদ্রাসার শিক্ষক নূর আলম সরদার (৩৬) এবং দশম ও অষ্টম শ্রেণির দুই ছাত্র।
৫ অক্টোবর সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নানি তাকে যশোরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, শিশুটি প্রায় পাঁচ বছর ধরে নানির বাড়িতে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত বছরের ডিসেম্বরে দশম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী শিশুটির গোসলের ভিডিও গোপনে ধারণ করে।
এ ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে আজ সোমবার শ্যামনগর থানায় একটি মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর নানি।
এদিকে শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
মামলায় ওই মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষককে আসামি করা হয়েছে।
শিক্ষক নূর আলম সরদারের স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





