ছাত্রকে ধর্ষণেচেষ্টা: মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ, উদ্ধারে গিয়ে ওসিসহ ৩ পুলিশ আহত

- পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবার জানা যায়, মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে পড়ুয়া একাধিক ছাত্রকে বিভিন্ন সময় ওই শিক্ষক যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ করেন
- কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদ্রাসায় আবাসিক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে
এদিকে খবর পেয়ে ওই শিক্ষককে আটক করতে গিয়ে ক্ষুব্ধ লোকজনের হামলায় দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
’ . দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তৌহিদুল হাসান তুহিন বলেন, ওসিসহ আহত তিন পুলিশ সদস্য হাসপাতালে আসেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে আজ দুপুরে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসায় গিয়ে তাঁকে মারধর শুরু করেন।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান কে বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে গাড়িতে তোলার সময় উত্তেজিত জনতা হামলা করেন।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আশিকুল্লাহর বিরুদ্ধে।
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে অবরুদ্ধ করেছেন স্থানীয় লোকজন।
একপর্যায়ে সকাল থেকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে ঘিরে রাখেন।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি যশোরের বাসিন্দা এবং মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ান ইউনিয়নের আটি গ্রামে তার শ্বশুরবাড়ি রয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা মাদ্রাসা ঘেরাও করে ওই শিক্ষককে মারধর করেন।
আহত ওসি খালেদুর রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নজরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আজম হোসেন দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
খলিশাকুন্ডি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন কে বলেন, মাদ্রাসার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে অবরুদ্ধ করেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার খলিশাকুন্ডি মারাকাজুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি
2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো
- বাংলাদ্রিবিউন-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ বাংলা ট্রিবিউন





