শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অভিযুক্ত আরমানের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি: রাশেদ খাঁন

- বিশ্ববিদ্যালয় জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা
- হামলাকারী রাইসুল ইসলামের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অনেকেই ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যোগাযোগ করেছেন
এ বিষয়ে খোঁজ নিতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘৪৫তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত রাইসুল ইসলাম আরমান, যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত, তার বিষয়ে অনেকে আমাকে জানিয়েছেন।
’ তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে তার বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার জন্য আমি দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
অভিযোগের বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
আশা করি, রাইসুল ইসলাম আরমানের মতো নির্যাতনকারীদের বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
জুলাই আন্দোলনের সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও স্থিরচিত্রে রাইসুলকে হামলায় সরাসরি অংশ নিতে দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
রাইসুলকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, রাইসুল ইসলাম আরমান আমার আবাসিক হল সূর্যসেন হলের শিক্ষার্থী।
পরদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমেও তার হামলায় অংশ নেওয়ার ছবি প্রকাশিত হয়।
মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করলেও ছাত্রলীগে যোগদান করে সন্ত্রাসী বনে যায়।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





