আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে-প্রবাসে রবীন্দ্র সাংস্কৃতিক উৎসব

- রবীন্দ্রনাথের গান ও কবিতা বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে
- রবীন্দ্রসংগীত পরিষদের আয়োজনে তিন ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানে ছিল রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি
- দুই দেশের জাতীয় সংগীতের পর বিশিষ্ট কবি কাজী মাশরুল হুদার উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল আয়োজন
২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় লস অ্যাঞ্জেলসের সাইন্টোলজি চার্চের চ্যাপেল হলে এমনই এক আবহে শুরু হয় রবীন্দ্র সাংস্কৃতিক উৎসব।
রবীন্দ্রনাথের গান ও কবিতা বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে।
রবীন্দ্রসংগীত পরিষদের আয়োজনে তিন ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানে ছিল রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি।
দুই দেশের জাতীয় সংগীতের পর বিশিষ্ট কবি কাজী মাশরুল হুদার উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল আয়োজন।
দেশ থেকে দূরে থাকলেও তাঁর সৃষ্টি প্রবাসী বাঙালির কাছে পরিচিত ও আপন।
কখনো রবীন্দ্রসংগীতের সুর, কখনো সেই গানের সঙ্গে নৃত্যের ছন্দ, আবার কখনো কবিতা আবৃত্তি।
গানের সঙ্গে নৃত্য কখনো মঞ্চকে প্রাণবন্ত করেছে, আবার আবৃত্তির পরিবেশনা তৈরি করেছে অন্য রকম আবেশ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সঙ্গে তাঁদের পরিচয়ও যেন মঞ্চের এই পরিবেশনাগুলোর মধ্য দিয়ে আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 2
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





