ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি বাড়ছে

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ২৩২ জন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিদিনই মামলা, ভর্তি ও মৃত্যুর হিসাব প্রকাশ করা হচ্ছে। আজকের প্রতিবেদনেও গত ২৪ ঘণ্টার পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা এখনো বেশি বলে জানাচ্ছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা চলছে। এ অবস্থায় জ্বর দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে অনুরোধ করা হচ্ছে। প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতেও ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশা নিধন ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। ঘরবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা এবং মশার কামড় থেকে আত্মরক্ষার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যেসব এলাকায় মশার প্রকোপ বেশি, সেখানে নিয়মিত মশা নিধন অভিযান চালানোর কথাও বলা হয়েছে। বর্ষার পরের এই সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে সতর্ক করা হচ্ছে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের জ্বর, শারীরিক দুর্বলতা ও জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। রোগীদের অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। দেশের সব জেলায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু, বয়স্ক ও জটিল রোগে আক্রান্তদের ঝুঁকি বেশি, তাই তাদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
দেশে প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলে ডেঙ্গু অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এ লক্ষ্যে মশা নিধন ছাড়াও জনসচেতনতা তৈরি এবং বাসাবাড়ি, অফিস ও নির্মাণাধীন স্থানে যত্রতত্র পানি জমতে না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
এই খবরটি একাধিক বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।