জাতীয়যাচাই চলছে
পটুয়াখালীর সড়কটি কাগজে-কলমে পাকা, বাস্তবে কাঁচা
প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ

এক নজরে
- দশমিনার উপজেলার বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট থেকে রকমান ব্যাপারীবাড়ি পর্যন্ত কাঁচা সড়কটি পাকা ও সংস্কারের জন্য বরাদ্দ আসে; কিন্তু সেটা না করে প্রায় ৭০০ মিটার দূরে একই ইউনিয়নের চাঁন মিয়া সিকদারবাড়ির সড়ক সংস্কার ও পাকা করা হয়েছে
- একটি কাঁচা সড়ক স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কাগজে-কলমে পাকা ও সংস্কারকাজ সম্পন্ন দেখানো হয়েছে
- জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের বরাদ্দ দিয়ে অনুমোদনহীন অন্য একটি বাড়ির সড়ক পাকা করা হয়েছে
২০১০-১১ অর্থবছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কটি প্রথম পাকা করা হয়।
যে সড়কটির কথা বলা হচ্ছে, সেটি পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া এলাকায়।
গত বুধবার দুপুরে বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট থেকে রকমান ব্যাপারীবাড়ি পর্যন্ত এক কিলোমিটার কাঁচা সড়কটি ঘুরে দেখা যায়, কোথাও কোথাও কাদা শুকিয়ে উঁচু হয়ে আছে।
জাহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, সুজন, দশমিনা . এলজিইডির দশমিনা উপজেলা কার্যালয় থেকে এ–সংক্রান্ত একটি নথি পেয়েছে।
সাধারণত এ সড়কে সাইকেল, মোটরসাইকেল, রিকশা ও অটোরিকশা চলাচলা করে।
অনৈতিক আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমন কাজ করেছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





