জাতীয়নিশ্চিত [A]

মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন

1 মিনিট পাঠ
মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন — ছবি: Marufish (BY-SA)
মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন — ছবি: Marufish (BY-SA)

রাজধানীর মিরপুরে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চলন্ত যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় শিকড় পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

একই দিন মিরপুর-১ নম্বর এলাকায়ও আরেকটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ফলে সেদিন মিরপুরে অন্তত দুটি চলন্ত বাসে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। দুটি ঘটনাতেই হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার সন্ধ্যাধরেই মিরপুর এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়ার এই ঘটনাগুলো স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগের কারণ হয়েছে। রাজধানীর ব্যস্ত এলাকায় পরিবহনে অগ্নিসংযোগের খবর বেশ কিছুদিন ধরেই আসছে। এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ যাত্রীদের দুশ্চিন্তা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা চলছে।

চলন্ত বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটার সময় বাসগুলোতে যাত্রী ছিলেন কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট তথ্য প্রতিবেদনে আসেনি। তবে দুটি বাসেই দুর্বৃত্তরা আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সন্ধ্যার পর এমন অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মিরপুর ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা গেছে।

কে বা কারা এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে এবং এর উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখনো জানা যায়নি। মিরপুরে সেদিন দুটি বাসে পৃথকভাবে আগুন দেওয়ার তথ্য তুলে ধরেছে সংবাদমাধ্যমগুলো। এ ঘটনায় হতাহতের খবর না থাকলেও পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে শঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

নানা কারণে পরিবহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলে যাত্রীদের পাশাপাশি রিকশাচালক, পথচারীসহ সাধারণ মানুষ বেশি সমস্যায় পড়েন। চলন্ত বাসে আগুন মানে সম্ভাব্য বিপর্যয়; তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ জরুরি বলে মনে করছেন নাগরিকরা। এ ঘটনায় পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীর তদন্তে জড়িতদের শনাক্ত হওয়ার আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে লক্ষ্যে নজরদারি বাড়ানোর দাবিও উঠেছে।

এই খবরটি একাধিক বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।