জাতীয়যাচাই চলছে

মুঠোফোনে ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরুরি ব্যালান্স দিতে চায় অপারেটরগুলো, ফি হবে ১০ টাকা

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
মুঠোফোনে ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরুরি ব্যালান্স দিতে চায় অপারেটরগুলো, ফি হবে ১০ টাকা
এক নজরে
  • বিটিআরসির নথিপত্র বলছে, বর্তমানে ২০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ব্যালান্স নিলে সেবা ফি দিতে হয় ২ টাকা
  • অপারেটরদের দেওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী, ইমার্জেন্সি ব্যালান্সের সীমা ৫০০ টাকার সঙ্গে যুক্ত হবে ১০ টাকা সেবা ফি ও তার ওপর কর
  • ব্যালান্সের সীমা ৫০০ টাকা হলে গ্রাহক প্রয়োজন অনুযায়ী বেশি দামের প্যাকেজ কিনতে পারবেন

২০১৯ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসি নির্দেশ দিয়েছিল, গ্রাহকদের অন্তত ১০ টাকা ইমার্জেন্সি ব্যালান্স দিতে হবে এবং এর জন্য কোনো চার্জ নেওয়া যাবে না।

সম্প্রতি এ সীমা বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে অপারেটরগুলো।

শুরুতে ইমার্জেন্সি ব্যালান্সের উদ্দেশ্য ছিল জরুরি প্রয়োজনে গ্রাহককে সামান্য টাকা দেওয়া।

বর্তমানে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ঋণ দিতে পারে।

অপারেটরগুলো বলছে, ইমার্জেন্সি ব্যালান্স এখন আর শুধু টাকা ধার দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর আওতায় মিনিট লোন, ডেটা লোন, ‘বাই নাও পে

জানতে চাইলে রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম কে বলেন, অনেক সময় গ্রাহকের হাতে থাকা ইমার্জেন্সি ব্যালান্স দিয়ে প্রয়োজনীয় প্যাকেজ কেনা সম্ভব হয় না।

মুঠোফোনের রিচার্জ করা ব্যালান্স বা ইন্টারনেটের ডেটা শেষ হয়ে গেলে ইমার্জেন্সি ব্যালান্স নেওয়া যায়।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ কমিশন সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ইমার্জেন্সি ব্যালান্সের সীমা বাড়ানোর পক্ষে অপারেটরদের একটি যুক্তি হলো, এতে গ্রাহকেরা বেশি দামের প্যাকেজও কিনতে পারবেন।

মুঠোফোনের ব্যালান্স দিয়ে কেনাকাটার সীমা বাড়ল. দেশে মোবাইল অপারেটর সেবা দেয় চারটি কোম্পানি—গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক এবং রাষ্ট্রীয় অপারেটর টেলিটক।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।