ওমরাহ করতে গিয়ে ইহরাম পরা অবস্থায় নিহত বাংলাদেশের মুফতি নাসরুল্লাহ

- শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে মাদ্রাসার ৪৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে নিয়ে তার নেতৃত্বে ওমরাহ পালনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু হয়
- নাসরুল্লাহ ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের জামিয়া আরাবিয়া রবিউল উলুম মাদ্রাসায় দায়িত্ব পালন করতেন
- এসময় সেখানে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের যাত্রীরা অপেক্ষা করছিলেন
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের গতকাল রোববার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার (১০ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বেলা ৩টা ২০ মিনিটে সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩-এর ওপর একটি ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়ে।
মুফতি নাসরুল্লাহর বড় ভাই মাওলানা আহসান উল্লাহ বদর বলেন, ‘আমরা চার ভাই ও তিন বোন।
সেখান থেকে জেদ্দা হয়ে পবিত্র মক্কায় গিয়ে ওমরাহ পালনের পরিকল্পনা ছিল তার।
’ তিনি আরও বলেন, ‘যে ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে সে সৌদি গিয়েছে, ওই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আমাদেরকে তার ডেথ সার্টিফিকেট পাঠায়।
’ তিনি বলেন, ‘প্রথমে রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় সে।
সবার দায়িত্বে থাকায় সে একেবারে সামনের দিকে অবস্থান করছিল।
মাওলানা আহসান উল্লাহ বদর বলেন, ‘তাকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ধর্মমন্ত্রী ও বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়।
’ নাসরুল্লাহর বাবা মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, ‘গতকাল এয়ারপোর্টে নামার পর
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





