কালি আর স্বর্ণ দিয়ে যিনি আঁকেন নোবেলজয়ীদের ছবি

- ছবিগুলো তিনি আঁকেন গাঢ় কালো কালি আর গোল্ড ফয়েল দিয়ে হাইলাইট করে
- ২০১২ ও ২০১৩ সালে যখন সংবাদমাধ্যমগুলোতে এই ছবিগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে, তখন নোবেল ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতের ঘোষণার জন্য একটি নির্দিষ্ট ডিজাইন দাঁড় করানোর অনুরোধ জানায়
- ২০১২ সালের আগে নোবেল বিজয়ীদের খবর প্রকাশের জন্য অগোছালোভাবে ইন্টারনেট থেকে যা ছবি পাওয়া যেত, তাই ব্যবহার করা হতো
বিজয়ীদের নাম ঘোষণার পর নোবেল কমিটির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে তাঁদের কোনো সাধারণ ছবি বা ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবি দেওয়া হয় না।
কেমন করে তিনি এই চমৎকার ছবিগুলো আঁকেন আর এর পেছনের গল্পটাই–বা কী, চলো জেনে নেওয়া যাক।
২০১২ সাল থেকে নোবেল বিজয়ীদের এই বিখ্যাত প্রতিকৃতিগুলো এঁকে আসছেন সুইডিশ শিল্পী নিকলাস এলমেহেড।
শিল্পী নিকলাস এলমেহেড মজা করে এই জায়গাটিকে বলেন ‘গোল্ডেন ওয়াল’ বা সোনালি দেয়াল।
নোবেল পুরস্কারের এ টু জেড: মনোনয়ন থেকে পুরস্কার তুলে দেওয়া পর্যন্ত কী ঘটে. সুইডেনের এই শিল্পী ২০১২ সালে নোবেল মিডিয়ায় আর্ট ডিরেক্টর হিসেবে কাজ শুরু করেন।
২০১৪ সালে শিল্পী নিকলাস এলমেহেড এমনভাবে ছবি আঁকা শুরু করেন, যেখানে গাঢ় কালো রেখার পাশাপাশি নীল ও হলুদ রঙের শেড বা ছায়া রাখা হতো।
বিজয়ীদের নাম ঘোষণার ঠিক কতক্ষণ আগে তাঁকে জানানো হয়, তা তিনি প্রকাশ করতে পারেন না।
কারণ, পুরস্কার ঘোষণার ঠিক সেই মুহূর্তেই তাঁর আঁকা ছবিগুলো প্রকাশ করা হয়।
বলে রাখা ভালো, এগুলো ডিজিটাল ছবি নয়, হাতে আঁকা সত্যিকারের ক্যানভাস।
আঁকা ছবিগুলো স্টকহোমে নোবেল মিডিয়ার প্রধান কার্যালয়ের বিশেষ দেয়ালে আগের সব বিজয়ী ছবির পাশে রাখা হয়।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।





