জাতীয়একক/আংশিক

মুগ্ধ হত্যা মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন

প্রকাশিত: 2 মিনিট পাঠ
মুগ্ধ হত্যা মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন
এক নজরে
  • আসামিদের বিরুদ্ধে আনা আরও অভিযোগ তুলে ধরে ট্রাইব্যুনাল বলেন, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের এমবিএ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী মুগ্ধ গুলিবিদ্ধ হন
  • বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রোববার এই মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর উত্তরায় মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিব হাসান ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ২৬ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দিন, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান, সাবেক কনস্টেবল হোসেন আলী, উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের সহযোগী দেলোয়ার হোসেন, মো. শাহ আলম ও মো. ইরফানুল হক গাজী।

আগামী ৪ নভেম্বর এ মামলায় সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

সে সময় মুগ্ধ আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে সহযোগিতার পাশাপাশি আন্দোলনরত ছাত্র–জনতাকে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করছিলেন।

অভিযোগের মধ্যে আছে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরায় মুগ্ধ, মোখলেসুর রহমানসহ

একই দিন উত্তরা এলাকায় জাহিদুজ্জামান তানভীন, শেখ ফাহমিন জাফর, মো. শাকিল হোসেন, মো. সাব্বির হোসেন ও সজিব সরকারকে গুলি করে হত্যা করা

আওয়ামী লীগের লোকজনের সহযোগিতায় পুলিশ সদস্যরা দুর্জয়ের লাশ গুম করার চেষ্টা করেন।

২০ জুলাই টঙ্গীর মরকুন গুদারাঘাটের মারুকা সেতুর উত্তর পাশে মরকুন বিলে মোখলেসুর রহমানের লাশ ভাসমান অবস্থায় পায় টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ।

সতীর্থ আন্দোলনকারীরা তাঁকে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর উত্তরায় সির (সাঁজোয়া যান) চাকায় পিষ্ট করে হত্যা করা হয়েছিল উবারচালক মোখলেসুর রহমানকে (দুর্জয়)।

ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।