জাতীয়যাচাই চলছে

বিমানে ভ্রমণের প্রাধিকারভুক্ত নন, তবু শতাধিকবার বিল তুলে বরখাস্ত কর্মকর্তা

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
বিমানে ভ্রমণের প্রাধিকারভুক্ত নন, তবু শতাধিকবার বিল তুলে বরখাস্ত কর্মকর্তা
এক নজরে
  • এ ছাড়া আদালতে সাক্ষ্য না দিয়েও বিভিন্ন আদালতের সমন ও সাক্ষ্য দেওয়ার ভুয়া সনদ তৈরি করে বিল জমা দিয়ে অর্থ তুলে নেন তিনি
  • প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুলাল কৃষ্ণ সাহা ২০০০ সালের ২৮ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাসায়নিক পরীক্ষক (ষষ্ঠ গ্রেড) পদে যোগ দেন
  • ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি একই পদে কর্মরত ছিলেন

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বিধিবহির্ভূতভাবে সরকারি কোষাগার থেকে মোট ৩ লাখ ১৫ হাজার ৭৫৭ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর ১১ অক্টোবর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

এ জন্য উড়োজাহাজে যাতায়াতের ভ্রমণ বিল দাখিল করে সরকারি অর্থ উত্তোলন করেন।

প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, দুলাল কৃষ্ণ ঢাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকাকালে দীর্ঘদিন ধরে জালিয়াতির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলা আদালতে সমন ও সাক্ষ্য দেওয়ার ভুয়া সনদ তৈরি করেন।

বিভাগীয় তদন্তে এসব অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

আজ রোববার তাঁকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।