জাতীয়যাচাই চলছে

বিদেশে কাজের আগে ভিনদেশের ভাষা শেখা দক্ষ জনশক্তি গড়ার মূল চাবিকাঠি

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
বিদেশে কাজের আগে ভিনদেশের ভাষা শেখা দক্ষ জনশক্তি গড়ার মূল চাবিকাঠি
এক নজরে
  • সঠিক দূরদর্শিতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং রাষ্ট্রীয় নীতিমালার মাধ্যমে বিদেশগামী তরুণদের ভিনদেশের ভাষা ও সংস্কৃতি শিখিয়ে পাঠাতে পারলে আমাদের জনশক্তি রপ্তানির চিত্রটি সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে
  • ভারতীয় কিংবা ফিলিপিনো কর্মীদের এ সাফল্যের প্রধান চাবিকাঠি হলো বিদেশে যাওয়ার আগেই তাঁরা আরবি, ইংরেজি কিংবা গন্তব্য দেশের মূল যোগাযোগের ভাষাটিতে নিজেদের ন্যূনতম দক্ষ করে তোলেন
  • বিদেশে পাড়ি জমানো বাংলাদেশি কর্মীদের সিংহভাগই যাচ্ছেন কোনো ধরনের পূর্ব প্রশিক্ষণ কিংবা সংশ্লিষ্ট দেশের ভাষা না জেনে

প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ তরুণ জীবিকার তাগিদে এবং পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া কিংবা জাপানের মতো দেশগুলোতে পাড়ি জমাচ্ছেন।

দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে এবং জাতীয় আয়ের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ রেমিট্যান্সের প্রবাহ ধরে রাখতে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর অবদান অনস্বীকার্য।

যে কর্মী স্বাচ্ছন্দ্যে স্থানীয় ভাষায় কথা বলতে পারেন, তিনি নিয়োগকর্তার সঙ্গে কাজের পরিকল্পনা নিয়ে সরাসরি কথা বলতে পারেন, পণ্যের বিপণন করতে পারেন এবং জটিল পরিস্থিতি দ্রুত সামাল দিতে পারেন।

ভাষাগত বাধা না থাকার কারণে ভিনদেশের বাজারে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি এবং তাঁরা তুলনামূলক কম শারীরিক পরিশ্রমে অনেক বেশি উপার্জন করতে সক্ষম হন।

আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের কঠোর বাস্তবতা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বর্তমান আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের দিকে তাকালে এক নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের মতো উদীয়মান অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে পরিবহন, সুপারশপ, রেস্তোরাঁ, নির্মাণ ব্যবস্থাপনা, বিক্রয় ও আতিথেয়তার মতো বিভিন্ন সেবামূলক খাতে ভারতীয়, ফিলিপিনো কিংবা পাকিস্তানি কর্মীরা ব্যাপক প্রাধান্য বিস্তার করে আছেন।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।

আরও পড়ুন