জুমার আজান হলে যে কাজ বন্ধ রাখতে বলে কোরআন

- জুমার দিন তাই শুধু একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন নয়,এটি ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর স্মরণে মনোযোগী
- দুনিয়াবি কাজ ও উপার্জন জীবনের প্রয়োজনীয় অংশ হলেও জুমার নামাজের আহ্বান এলে তা যেন ইবাদতের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেটিই এ নির্দেশের মূল শিক্ষা
- এ আয়াত তাঁদের জন্য স্মরণ করিয়ে দেয়, দুনিয়াবি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ধর্মীয় দায়িত্বের প্রতিও সচেতন থাকা প্রয়োজন
জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং বেচাকেনা ছেড়ে দাও।
সুরা আল-জুমুআর ৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, আরবি: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِن يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَىٰ ذِكْرِ اللَّهِ وَذَرُوا الْبَيْعَ বাংলা অর্থ: ‘হে মুমিনগণ!
আয়াতটিতে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যাওয়া এবং বেচাকেনা ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
সুরা আল-জুমুআর ১০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, নামাজ শেষ হলে পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো, আল্লাহর অনুগ্রহ বা জীবিকা অনুসন্ধান করো এবং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করো।
বিশেষ করে যাঁদের ওপর জুমার নামাজ ফরজ, তাঁদের জন্য এর আহ্বানে সাড়া দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যস্ততার মধ্যেও জুমার গুরুত্ব বর্তমান সময়ে চাকরি, ব্যবসা কিংবা নানা দায়িত্বের কারণে অনেকেই ব্যস্ত থাকেন।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





