তানিয়া যেভাবে নিজের বাল্যবিবাহ ঠেকিয়ে দিল

- স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে অন্যরা যখন কলেজে ভর্তির অপেক্ষায়, তখন সাতক্ষীরার তানিয়া ব্যস্ত ছিল নিজের বাল্যবিবাহ ঠেকানোর চেষ্টায়
- নিজের ও মায়ের এ বিয়েতে অমত থাকলেও পরিবারের অন্যরা বেশ চাপ সৃষ্টি করেছিলেন
- মাথায় ঘুরছিল নিজের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তা আর ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের সর্বশেষ জরিপ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস)-২০২৫ বলছে, দেশে বাল্যবিবাহের হার ২০১৯ সালে ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে ৪৭ দশমিক ২ শতাংশ নামলেও ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৪৭ দশমিক ২ শতাংশের বিয়ে হয় ১৮ বছর এবং ১৩ দশমিক ৪ শতাংশের ১৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই।
তানিয়া বলল, ওই শিক্ষক তার মাকে বলেছিলেন, ‘এত ভালো রেজাল্ট করল,
এ ছাড়া ২০১৯ সালে ১৫-১৯ বছর বয়সী বিবাহিত নারীর হার ছিল ৩২ দশমিক ৯ শতাংশ।
প্রতি হাজার কিশোরীর বিপরীতে বছরে সন্তান জন্মহার ২০১৯ সালে ছিল ৮৩টি।
সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়ে শুধু জিপিএ–৫-ই নয়, সব বিষয়ে এ–প্লাস নিয়ে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে সে।
সবশেষে অবশ্য শিক্ষকদের সহায়তা এবং এসএসসিতে অসাধারণ ফলাফলের কারণে এ যাত্রায় বাল্যবিবাহের হাত থেকে রেহাই মেলে প্রতিবাদী তানিয়ার।
চাপের মধ্যে শেষমেশ বলে ফেলে, এক শর্তে সে রাজি হতে পারে—তাকে বিয়ের পর লেখাপড়া করাতে হবে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





