পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শর বেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটি কেন বেআইনি নয়: হাইকোর্ট

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শতাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটি কেন বেআইনি নয়—এ প্রশ্নে জবাব চেয়েছে হাইকোর্ট। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চার শতাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত ওই কমিটির বিষয়ে হাইকোর্ট এমন প্রশ্ন তুলেছে।
এক সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে বিষয়টিকে ‘চার শতাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত অনুসন্ধান কেন বেআইনি নয়’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আরেক সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে বলা হয়েছে ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শর বেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটি কেন বেআইনি নয়।’ অর্থাৎ একই ঘটনা প্রসঙ্গে একটি প্রতিবেদনে ‘অনুসন্ধান’ এবং অন্যটিতে ‘তদন্ত কমিটি’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। দুটি প্রতিবেদনই সোমবার একই দিনে প্রকাশিত, এবং উভয়েই হাইকোর্টের এই প্রশ্নের কথা তুলে ধরেছে।
বাংলাদেশের আদালত সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়ায় ‘কেন বেআইনি নয়’ ধরনের প্রশ্নের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পক্ষের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়। পক্ষগুলোর জবাব শুনে ওই সিদ্ধান্ত বা ব্যবস্থার বৈধতা নিয়ে অনুসন্ধান করে আইনানুযায়ী সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার প্রচলন রয়েছে। এবারও একই প্রক্রিয়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শতাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত ওই কমিটির বৈধতা নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে আদালত। হাইকোর্টের এমন প্রশ্নে ওই কমিটির গঠন প্রক্রিয়া ও ক্ষমতা আপাতত আটকে থাকবে কি না, তা নির্ভর করছে পরবর্তী শুনানির ওপর।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠনের খবরে একাডেমিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। শিরোনাম ও সংক্ষিপ্ত তথ্য ছাড়া কমিটি গঠনের পেছনের কারণ, তার গঠন প্রক্রিয়া ও কার্যপরিধির বিস্তারিত দুই প্রতিবেদনেই উঠে আসেনি। ফলে আদালতের পরবর্তী শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। কমিটি গঠনের পেছনে কী ধরনের অভিযোগ ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে, সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়। তবে হাইকোর্টের এই প্রশ্নের মাধ্যমে ওই কমিটির বৈধতা নিয়ে আইনগত নিষ্পত্তির পথ খুলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই খবরটি একাধিক বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে। সূত্র: সমকাল ও প্রথম আলো।