জাতীয়যাচাই চলছে

গ্রামের বৈঠকখানা কোথায় হারিয়ে গেল

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
গ্রামের বৈঠকখানা কোথায় হারিয়ে গেল — যাচাইডেস্ক
এক নজরে
  • শুধু আড্ডা নয়, বৈঠকখানা ছিল গ্রামের অনানুষ্ঠানিক আদালতও
  • গ্রামবাংলার সেই দৃশ্যেরই একটি নাম ছিল বৈঠকখানা
  • গ্রামের কয়েকজন প্রবীণ মানুষ ছিলেন যেন জীবন্ত নথিপত্র

একসময় গ্রামের বাড়িতে বৈঠকখানা ছিল একধরনের সামাজিক প্রতিষ্ঠান।

কার জমি কোথায়, কার বাবা কখন মারা গেছেন, কোন পরিবার কোথা থেকে এসেছে—সব তাঁদের নখদর্পণে।

বাড়ির মূল বসতঘর থেকে খানিকটা আলাদা, সাধারণত উঠানের পাশে বা রাস্তার ধারে একটি ঘর।

সন্ধ্যা নামার পর টেলিভিশনের রিমোট নিয়ে যুদ্ধ ছিল না, হাতে স্মার্টফোন ছিল না, নোটিফিকেশনের শব্দে কথোপকথন থেমে যেত না।

হুমায়ূন আহমেদের ‘ছেলেবেলা’ পড়লে বোঝা যায়, মানুষের স্মৃতিতে শৈশব কতটা গভীরভাবে থেকে যায়।

সময় চলে যায়, মানুষ বড় হয়, কিন্তু কিছু দৃশ্য থেকে যায় আগের মতোই।

যেখানে দরজায় কড়া নাড়তে হতো না, অনুমতি লাগত না; বিকেলের আলো গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই মানুষ আপনা–আপনি সেখানে জড়ো হতো।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।