প্রকৃতির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিতে ছায়ানটের শরতের অনুষ্ঠান

- পাঁচ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সমবেত কণ্ঠের সঙ্গে ছায়ানটের শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করেন
- সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের সঙ্গে যৌথভাবে এ আয়োজন করেছে ছায়ানট
- ঠিক সকাল সাড়ে সাতটায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শরতে আজ কোন্ অতিথি’ শিরোনামের সম্মেলক গান ও নৃত্যের মধ্য দিয়ে আয়োজনের শুরু হয়
ঠিক এ সময়ে ছায়ানটের শরতের অনুষ্ঠান ‘যোগ দে রে আজ সমান তানে’ ঘিরে সাজানো হয়েছিল পুরো চত্বর।
সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা গেয়ে শোনান ‘কোন্ খেপা শ্রাবণ ছুটে এল’ গানটি।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের প্রবেশপথ থেকে মঞ্চ পর্যন্ত নানা রঙের ঘুড়ি।
আকাশে সাদা মেঘ, নদীর পাড় থেকে শুরু করে নানা স্থানে কাশফুলের সমারোহ।
সূচনা পর্বের পর একে একে মঞ্চে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম ও অতুল প্রসাদ সেনের গান, ছড়া এবং কবিতা আবৃত্তি।
নালন্দা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করে ‘আলোর অমল কমলখানি’ ও ‘শরৎ (আজি কি তোমার মধুর মুরতি)’।
এ পর্বে একক গান ‘তোমরা যা বলো তাই বলো’ ও ‘ভোরের ঝিলের জলে’ পরিবেশন করেন দুই শিল্পী মেহেরিন ফাতেমা ও সুদর্শনা অলকানন্দা কুণ্ডু।
এক্সেল একাডেমির নিবেদনে ছিল সম্মেলক নৃত্যগীত ‘দেখো-দেখো, দেখো, শুকতারা আঁখি’।
এ পর্বে ইজমির মুস্তাফিজ আবৃত্তি করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শরৎ (এসেছে শরৎ, হিমের পরশ)।
সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের শিক্ষার্থীরা গেয়ে শোনান ‘আজ প্রথম ফুলের পাব প্রসাদখানি’।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





