তাহাদের ব্রেক আপ

’ ছেলে আমার সামনে বসেই বন্ধুকে পরামর্শ দিচ্ছিল, ‘আসলে, ফোনে বা টেক্সট করে ব্রেক আপ করাই সুবিধা, কারণ সামনে বসে ব্রেক আপ করলে অপর পক্ষের চোখের দিকে চোখ পড়ে, তখন এক পক্ষ কাঁদতে শুরু করে, দেখাদেখি আরেকজনও কাঁদে, একটা অকওয়ার্ড সিচুয়েশন তৈরি হয়।
’ কদিন আগেই আমার একুশ বছর বয়সী ছেলেকে তার এক বন্ধু ফোনে জিজ্ঞেস করছিল, ‘আচ্ছা, বল তো, ফোনে ব্রেক আপ করা সহজ নাকি সামনাসামনি, মুখোমুখি বসে…?
’ ছেলের সঙ্গে আমার একধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহজ সম্পর্ক থাকায় আমি হাসতে হাসতেই জিজ্ঞেস করলাম, ‘ব্যাটা, এখনো প্রেম শুরু হয়নি আর ব্রেক আপ বিশেষজ্ঞ হয়ে গেছিস!
’ ছেলে উত্তেজিত ভঙ্গিতে বলে, ‘আরে, তুমি জানো না, শামসের এরই মধ্যে তিনটা ব্রেক আপ হয়ে গেছে।
দেখবি যে প্রেমিক বা প্রেমিকা, দুইজনই বা দুইজনের একজন মইরা গেলেই প্রেমটা টিকে, যদি বাঁচল তো প্রেম গেল!
প্রেমের গল্প লিখতে হবে ভাবলেই আমার গায়ে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে।
বলতে ইচ্ছে করে,প্রেমের গল্প লিখতে আমায় কহ যে, বিশুদ্ধ প্রেম যায় কি পাওয়া সহজে?
সে কথা ফুসুনেরও জানা ছিল, তা সত্ত্বেও তাদের গভীর প্রেমের সম্পর্ক হয়।
ঘটনার আরও নানা বাঁক পেরিয়ে কেমাল এক সময় মন্তব্য করে, ‘মানুষকে মনে করিয়ে দিতে চাই, প্রেম হচ্ছে একটা গভীর বিবেচনাবোধ ও সূক্ষ্ম আবেগময় কোমলতা।
আমাদের এক সিনিয়র বন্ধু বলত, ‘প্রেমের মধ্যে পুরাই ভেজাল ঢুইক্যা গেছে, দুধে যেমন পানি মিশাইলে পাতলা হইয়া যায়, প্রেমের ঘনত্বও এখন প্রতারণা, লালসা আর স্বার্থপরতা মিশে কেমন হালকা পানসে হয়ে গেছে।
’ . ‘আরে ধুর, এসব অ্যাপ-ট্যাপে বানানো সম্পর্কে আমার একটুও বিশ্বাস নেই।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





