ইট ভেঙেছেন, টিউশনি করেছেন, অভাব ডিঙিয়ে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন আমিনুল

- নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে আমিনুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন
- ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় ইট ভাঙার কাজ করেছেন
- নিজের পরিশ্রম আর মানুষের অনুপ্রেরণায় ৪৬তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন তিনি
পড়াশোনার খরচ জোগাতে কখনো ইট ভেঙেছেন, কখনো টিউশনি ও কৃষিকাজ করেছেন।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত গেজেটে তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত হয়।
নিজের পড়াশোনার খরচ জোগানোর পাশাপাশি পারিবারিক প্রয়োজন মেটাতে তাঁকে বিভিন্ন কাজ করতে হয়েছে।
খাতা-কলম থেকে পরীক্ষার ফি—পড়াশোনার খরচ চালাতে এলাকার অনেক মানুষও পাশে ছিলেন।
আমিনুল হকের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের কান্দানিয়া গ্রামে।
মা আমিনা খাতুনের সঙ্গে বাবার ছাড়াছাড়ির পর চাচা আবদুল খালেক ও চাচি মিনারা খাতুন তাঁকে নিজেদের সন্তানের মতো করে বড় করেছেন।
ছোটবেলা থেকে বুঝেছিলেন, পড়াশোনা করেই নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে হবে।
’ তিনি বলেন, ‘বন্ধুরা যখন মাঠে খেলত, বেড়াতে যেত, তখন আমাকে কাজ করতে হতো।
’ . আমিনুলের পড়াশোনার পেছনে তাঁর পরিবারের পাশাপাশি গ্রামের মানুষের ভূমিকা ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ করিম কে বলেন, ‘স্কুলজীবন থেকেই আমরা ওর পাশে ছিলাম।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





