জাতীয়নিশ্চিত [A]

পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথকভাবে দেখার সুযোগ নেই: পরিবেশ মন্ত্রী

1 মিনিট পাঠ
পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথকভাবে দেখার সুযোগ নেই: পরিবেশ মন্ত্রী — ছবি: চ্যানেল আই
পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথকভাবে দেখার সুযোগ নেই: পরিবেশ মন্ত্রী — ছবি: চ্যানেল আই
এক নজরে
  • পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথকভাবে দেখার সুযোগ নেই: মন্ত্রী
  • মানুষ, প্রাণী, উদ্ভিদ ও বাস্তুতন্ত্রকে সমন্বিতভাবে বিবেচনার আহ্বান
  • এফএও সম্মেলনে মন্ত্রীর বক্তব্য
  • চ্যানেল আই ও যুগান্তরের প্রতিবেদনে একই তথ্য

পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) একটি সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানুষ, প্রাণী, উদ্ভিদ ও বাস্তুতন্ত্রকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করে সব কার্যক্রম পরিচালনার কথা তুলে ধরেছেন মন্ত্রী। পরিবেশ রক্ষা, প্রাণীর স্বাস্থ্য এবং মানুষের জনস্বাস্থ্য—এই তিনটি ক্ষেত্র একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। তাই এসবকে আলাদা করে ভাবার সুযোগ নেই বলেই তাঁর যুক্তি। এই মন্তব্যটি তিনি এফএওয়ের সম্মেলনে দিয়েছেন, যেখানে খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই কৃষি ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষার মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

মন্ত্রীর বক্তব্যের মূল বার্তা—একটি ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিলে তার প্রভাব অন্য ক্ষেত্রেও পড়ে। যেমন প্রাকৃতিক পরিবেশের অবনতি যেমন মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে, তেমনি প্রাণীদের মধ্যে ছড়ানো রোগও মানবসমাজে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই নীতি নির্ধারণ থেকে শুরু করে স্থানীয় পর্যায়ের সব কার্যক্রমে এই সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি রাখার কথা বলে আসছেন সংশ্লিষ্টরা। এ জায়গাতেই মন্ত্রীর বার্তাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধেও প্রাণিস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ভূমিকা এতটুকু পরিসরে বাইরের কোনো বিষয় নয় বলেও বিবেচনা করা হচ্ছে।

যুগান্তরের প্রতিবেদনেও পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথকভাবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্ত্রীর একই বক্তব্যের প্রতিফলন পাওয়া গেছে। দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেই মন্ত্রীর বক্তব্যের মূল অংশ একই—প্রকৃতি, প্রাণ ও মানবস্বাস্থ্যের সম্পর্ককে আন্তঃসম্পর্কিত হিসেবে দেখতে হবে। সম্মেলনের কোনো কোনো সেশনে পরিবেশগত টেকসইতা ও খাদ্য ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা হচ্ছে বলে ইঙ্গিত রয়েছে। মন্ত্রীর এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য-সংক্রান্ত অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ করে দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ধরনের সমন্বিত ধারণা থেকে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বাস্তব কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের প্রত্যাশাও ব্যক্ত হচ্ছে।

এই খবরটি চ্যানেল আই ও যুগান্তর—দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে।