বিদেশ যেতে বাধা, বিমানবন্দরে কী ঘটেছিল তা বললেন সেই তিন নারী

- তিন নারীর আইনজীবী ইশরাত হাসান কে বলেন, হাইকোর্টের আদেশের পর অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য তিন তরুণীকে নোটিশ দিয়ে সাক্ষ্য দিতে ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃহস্পতিবার উপস্থিত হতে বলা হয়
- বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের পক্ষ থেকে অভিভাবকদের ফোন করে বিদেশ ভ্রমণ ও পেশা সম্পর্কে জানতে চাওয়া এবং পোশাক, আর্থিক সামর্থ্য ও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে ‘কুরুচিপূর্ণ’ মন্তব্য করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিন নারী
- বৃহস্পতিবার পুলিশের কাছে দেওয়া বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন বিদেশযাত্রায় বাধা পাওয়া অবিবাহিত ওই তিন নারী
নেপাল ভ্রমণের জন্য যেতে বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা বা এন্ট্রি পারমিশন ও বিমান টিকিট নিয়ে গত ৮ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন তিন নারী।
নারীদের একজন বলেন, ইমিগ্রেশন পুলিশের একজন সদস্য তাঁকে বলেছেন, অবিবাহিত মেয়েরা একা দেশের বাইরে যেতে পারবে না।
অভিযোগ তদন্তের বিষয়ে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক বরাবর রিট আবেদনকারী তিন নারী যে অভিযোগ করেছিলেন, তা নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
মেডিয়েশন নিয়ে কাজ করা সংস্থা বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল মেডিয়েশন সোসাইটির (বিমস) সঙ্গে ২০২৫ সাল থেকে যুক্ত বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন এক নারী।
এ প্রেক্ষাপটে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গত ৩০ আগস্ট পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক বরাবর অভিযোগ দেন তাঁরা।
রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন।
স্টুডেন্ট আইডিতে হিজাব পরা ছবি থাকায় একজন (পুলিশ সদস্য) বলেন, ‘একেক সময় একেক বেশ ধরেন।
বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করে টার্মিনালে যাওয়ার পথে তাঁদের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।
স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের ছবি নিয়ে নানা বাজে মন্তব্য করা হয়।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো




