জাতীয়নিশ্চিত [A]

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না: প্রতিমন্ত্রী

1 মিনিট পাঠ
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না: প্রতিমন্ত্রী — ছবি: প্রথম আলো
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না: প্রতিমন্ত্রী — ছবি: প্রথম আলো

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না বলে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। প্রথম আলোর খবরে বলা হয়েছে, প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, গত মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি তেলে ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। দাম সমন্বয়ের পরও প্রতি লিটার ডিজেলে ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে বলে জানান তিনি।

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনেও একই তথ্য গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে। সেখানেও বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে অন্য কোনো বিকল্প ছিল না। অব্যাহত লোকসানের হিসাবের কারণেই মূল্য সমন্বয়ের এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে এসেছে।

মূল্য সমন্বয়ের প্রেক্ষাপটে প্রতিমন্ত্রীর এই হিসাব এবারের ঘোষণার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসের ব্যবধানে জ্বালানি খাতে রাষ্ট্রীয় যে ক্ষতি হয়েছে, তা সামলানোর পথই ছিল দাম বাড়ানো। আন্তর্জাতিক বাজারের চাপের কারণে এই সমন্বয় অনিবার্য হয়ে পড়েছিল বলে তাঁর বক্তব্য থেকে বোঝা যায়।

তবে দাম বাড়ানোর পরও লোকসানের হিসাব মেলেনি। বিশেষ করে ডিজেলের ক্ষেত্রে প্রতি লিটারে এখনো ৭০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে আরও সমন্বয়ের প্রয়োজন পড়তে পারে; তবে এ মুহূর্তে এ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে নতুন করে কিছু জানানো হয়নি।

সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। সাধারণ মানুষের কাছে এ সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, তা কয়েকটি প্রশ্নের উদ্রেক করে। প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্য সেই প্রশ্নগুলোর একটি উত্তরের চেষ্টা বলেই গণমাধ্যমের খবরে এটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এখন দেখার বিষয়, এই সমন্বয়ের পরে বাজারে তেলের দাম কতটা কার্যকরভাবে প্রতিফলিত হয়। একই সঙ্গে লোকসানের যে চিত্র প্রতিমন্ত্রী দিয়েছেন, তা সরকারের পরবর্তী কোনো সিদ্ধান্তে আবার ভূমিকা রাখে কি না, সেদিকে নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট মহল।

এই খবরটি প্রথম আলো ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।