শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগ, মাদ্রাসা ঘেরাও করে শিক্ষককে পিটুনি

- ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা মাদ্রাসা ঘেরাও করে ওই শিক্ষককে মারধর করেন
- এদিকে খবর পেয়ে ওই শিক্ষককে আটক করতে গিয়ে ক্ষুব্ধ লোকজনের হামলায় দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদ্রাসায় আবাসিক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান কে বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে গাড়িতে তোলার সময় উত্তেজিত জনতা হামলা করেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে আজ দুপুরে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসায় গিয়ে তাঁকে মারধর শুরু করেন।
আহত ওসি খালেদুর রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নজরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আজম হোসেন দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবার জানা যায়, মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে পড়ুয়া একাধিক ছাত্রকে বিভিন্ন সময় ওই শিক্ষক যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ করেন।
খলিশাকুন্ডি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন কে বলেন, মাদ্রাসার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে অবরুদ্ধ করেন।
ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো




