বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উদযাপন

- আইএনজিও ফোরাম অন আই হেলথ ইন বাংলাদেশ এবং জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইওএইচ) যৌথ উদ্যোগে ‘লাভ ইয়োর আইজ’ এই বৈশ্বিক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৬ উদযাপন করেছে
- বিশ্ব দৃষ্টি দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সময়মতো চোখের যত্ন ও চিকিৎসা পেলে দৃষ্টিজনিত অনেক সমস্যা ও অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা সম্ভব
- শিশুদের ক্ষেত্রে এটি পড়াশোনা ও সামাজিক বিকাশে আর প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এটি আত্মনির্ভরশীল হওয়া, কাজের সক্ষমতা এবং অর্থনৈতিক সুযোগের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে
আলোচনা পর্বের শুরুতে আইএনজিও ফোরামের চেয়ার ও সাইটসেভার্স বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর অমৃতা রেজিনা রোজারিও দেশে দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০২০ সালের নেশনওয়াইড ব্লাইন্ডনেস সার্ভে অনুযায়ী, ৩০ বছর ও তার বেশি বয়সী ১৯ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো ধরনের দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যায় ভুগছেন।
এ আয়োজনে বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য মানসম্মত চোখের চিকিৎসাসেবা সমানভাবে সহজলভ্য করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করতে সরকারি প্রতিনিধি, চোখের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, উন্নয়ন সহযোগী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা একত্রিত হন।
বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর), ঢাকার সিআইআরডি -এ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত র্যালির মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এম. এ. মুহিত বলেন, কাজ করা ও শেখা, নিরাপদে চলাফেরা এবং সমাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার জন্য ভালো দৃষ্টিশক্তি থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এজন্য বাংলাদেশে পিছিয়ে পড়া মানুষদের কাছে মানসম্মত সেবা পৌঁছে দিতে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং সরকার ও এনজিওগুলোর মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয় ও সহযোগিতার প্রয়োজন।
পরবর্তীতে, ড. দুর্গা পি. পাওডিয়াল কনফারেন্স হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় চক্ষু স্বাস্থ্য, সবার জন্য চক্ষু চিকিৎসার সুযোগ এবং চোখের যত্নে সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





