জাতীয়নিশ্চিত [A]

কর্ণফুলী নদী থেকে নিখোঁজ চবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

1 মিনিট পাঠ
কর্ণফুলী নদী থেকে নিখোঁজ চবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার — ছবি: sebrenner (BY)
কর্ণফুলী নদী থেকে নিখোঁজ চবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার — ছবি: sebrenner (BY)

কর্ণফুলী নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে সমকালের খবরে বলা হয়েছিল, কর্ণফুলী নদীতে পড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। পরে সেই নিখোঁজ শিক্ষার্থীরই মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার হয়েছে বলে পরবর্তী খবরে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সমকালের প্রথম প্রতিবেদনের পর কালের কণ্ঠ উদ্ধারের খবর প্রকাশ করায় ঘটনার ধারাবাহিকতা স্পষ্ট হয়েছে। দুই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া ও পরে মরদেহ উদ্ধারের পুরো রূপরেখাটি বোঝা যাচ্ছে। দুই খবরই রোববার একই দিনে প্রকাশিত হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া মরদেহটি সেই নিখোঁজ শিক্ষার্থীরই কি না, তা শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় নিশ্চিত হবে। তবে কালের কণ্ঠের শিরোনামেই তাকে ‘নিখোঁজ চবি শিক্ষার্থীর মরদেহ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দুই প্রতিবেদনেই শিক্ষার্থীর নাম, বিভাগ বা সেশনের কোনো পরিচয় জানানো হয়নি। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন অনুষদের শিক্ষার্থী ছিলেন, তা-ও এ পর্যায়ে স্পষ্ট নয়।

নিখোঁজের সময় শিক্ষার্থীটি নদীর কোন পয়েন্টে পড়েছিলেন বা ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছিল—এ নিয়ে দুই প্রতিবেদনেই বিস্তারিত তথ্য নেই। প্রাথমিক খবরে যা বলা হয়েছে, তা হলো—নদীতে পড়েই ওই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছিলেন। মৃত্যুর কারণ বা নিখোঁজের পরিস্থিতি নিয়ে এ পর্যায়ে কারও পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীটি একা ছিলেন, নাকি কারও সঙ্গে ছিলেন, তা-ও খবরে জানানো হয়নি। দুই প্রতিবেদনই শুধু নিখোঁজ হওয়া ও মরদেহ উদ্ধারের মূল তথ্যটি নিশ্চিত করেছে। নদীর তীরে কী কারণে তিনি ছিলেন, সে প্রশ্নও অমীমাংসিতই থেকে গেছে।

পুলিশ বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি জানা যায়নি। মরদেহ উদ্ধারের পর শনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলবে বলেই খবরের বর্ণনায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

এই খবরটি সমকাল ও কালের কণ্ঠের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।