জাতীয়যাচাই চলছে

মাটির ঘরে ডাকঘর, ডাকবাক্স খোলা হয়, চিঠি থাকে না

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
মাটির ঘরে ডাকঘর, ডাকবাক্স খোলা হয়, চিঠি থাকে না
এক নজরে
  • ১ নভেম্বর এক দিনে চারটি চিঠি পেয়ে বিতরণ করা হয়
  • আমির হোসেন বলেন, সেপ্টেম্বর মাসে ৩২৪টি চিঠি বা ডকুমেন্টস গ্রহণ করে বিতরণ করা হয়
  • এসব চিঠির মধ্যে দুটি তৈলার দ্বীপ, একটি বারখাইন এবং অপর চিঠিটি শোলকাটা এলাকায় বিতরণ করেন পিয়ন মিজানুর রহমান

২০১৭ সালে এটিসহ দেশের ৫ হাজার ৫০৬টি ডাকঘরকে পোস্ট ই-সেন্টার বা ডিজিটাল ডাকঘরে রূপান্তরিত করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বছরের পর বছর ধরে মাটির ঘরেই চলছে ডাকঘরের দাপ্তরিক কার্যক্রম।

ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখা গেল, একটি টেবিলের দুই প্রান্তে দুজন বসে আছেন।

স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, এ ঘরটি একসময় সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের পরিবারের কাছারিঘর ছিল।

পাকা ঘর না থাকায় ই-পোস্ট সেন্টার ঘোষণা হলেও ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে বরাদ্দ পাওয়া যন্ত্রপাতি পটিয়া ডাকঘরে রাখা হয়েছে।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।