আংটি পরানোর প্রথা কবে শুরু হলো

- প্রাচীন রোমে নববধূকে আংটি পরানো নববধূকে আংটি পরানোর প্রথাটি প্রাচীন মিসরীয়দের হাত ধরে শুরু হয়েছিল বলে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন
- সে সময় বাগদানের আংটি এবং বিয়ের আংটি পৃথকভাবে দুবার করে পরানো হতো
- একই সময়ে ইহুদি ধর্মাবলম্বী পরিবারের বিয়ের অনুষ্ঠানেও আংটি পরানোটা প্রথা হয়ে ওঠে
বিয়ের সময় স্বামী তাঁর স্ত্রীকে এবং স্ত্রী তাঁর স্বামীকে আংটি পরানোর মাধ্যমে একটি পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হন।
পুরুষেরা নববধূর আঙুলে জমকালো নকশার আংটি পরিয়ে দিত এবং সেই আংটির মধ্যে খোদাই করা ছোট একটি ত্রিকোণাকৃতির নকশা থাকত, যা সাধারণত জেরুজালেমে অবস্থিত একটি ইহুদি মন্দিরের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।
এ ছাড়া রোমান যুগের কিছু ধনী পরিবারের নববধূরাও জনসমক্ষে সোনার আংটি পরতেন এবং পরে সোনার আংটির মধ্যে ‘ভালোবাসা’সূচক শব্দ খোদাই করে লিখে পরানো হতো।
প্রথম আংটি পরানো হতো বাগদানের সময়, যা বিয়ের প্রতিশ্রুতি হিসেবে ধরা হতো এবং দ্বিতীয়টি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিয়ের সময় পরিয়ে দেওয়া হতো।
রোমানরা আংটি পরানোকে নবদম্পতির মধ্যে সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে গণ্য করত।
এমনকি ধর্ম-বর্ণ, জাত-উপজাত এবং ধনী-গরিবসহ সমাজ, রাষ্ট্র ও বিশ্বের বহু স্থানে এই প্রথা চালু রয়েছে।
গ্রামের সাধারণ কোনো পরিবার হোক কিংবা শহরের শিল্পপতি কিংবা ধনকুবেরের বাড়ি—একটি বিষয় সবখানেই এক।
দ্বাদশ শতাব্দীতে রোমান ক্যাথলিক চার্চ তাদের ধর্মীয় রীতি হিসেবে বিয়েকে একটি পবিত্র রীতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।





