নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর সাজেকে যাচ্ছেন পর্যটকেরা, যান চলাচলও স্বাভাবিক

- ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর রাঙামাটির সাজেক ভ্যালিতে পর্যটকেরা যেতে শুরু করেছেন
- আজ শুক্রবার সকাল থেকে পর্যটকেরা ওই সড়ক দিয়ে সাজেক যাচ্ছেন
- রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বাঘাইহাট স্টেশনের লাইনম্যান মো. জসিম কে বলেন, আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাহিন্দ্রা ও পিকআপসহ অন্তত ১০০টি যানবাহন সাজেক এসেছে
আঞ্চলিক দুটি সংগঠনের অবরোধ স্থগিতের কারণে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কে যান চলাচলও স্বাভাবিক হয়েছে।
সেদিন বিকেলে প্রশাসনের আশ্বাসে ৪৮ ঘণ্টার জন্য কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
বাঘাইহাটের ১০ নম্বর এলাকা, গঙ্গারাম সেতু ও মাচলঙের ১৪ কিলোসহ কয়েকটি স্থানে সড়ক অবরোধ করা হয়।
পূজার ছুটির সামনের দিনগুলোতে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।
’ সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি ও রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য সুপর্ণ দেববর্মণ কে বলেন, আগের বুকিংগুলোর অনেকটাই বাতিল হয়ে গিয়েছিল।
অবরোধকারীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস—সন্তু লারমা) সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া।
১১ অক্টোবর একই দাবিতে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দিয়েছিলেন তাঁরা।
পর্যটক যেতে শুরু করায় সাজেকের রিসোর্ট ও কটেজগুলোতেও ব্যস্ততা ফিরেছে।
সাজেক ‘খোয়াল বুক’ রিসোর্টের ব্যবস্থাপক সমীরণ চাকমা কে বলেন, ‘আজ থেকে সাজেকে পর্যটক আসা শুরু করেছে।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, সাজেক এলাকায় জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা তৎপরতা চালাচ্ছেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের হুমকি
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





