মিয়ানমারের জান্তা–সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর মেয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র

- ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন মিয়ানমারের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়
- ২০২১ সালে নির্বাচিত নেতাদের উৎখাত করা জেনারেলদের একঘরে করে রাখাই ছিল সেই নীতির লক্ষ্য
মিয়ানমারের এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দেশটির সামরিক বাহিনীকে সহায়তার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, এই সিদ্ধান্ত ‘প্রশাসনের এই মূল্যায়নেরই প্রতিফলন যে বার্মা-সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত লক্ষ্য অর্জনে এই তালিকাভুক্তি আর কার্যকর ভূমিকা রাখছে না।
সামরিক জান্তাকে সহায়তার অভিযোগে কয়েকটি কোম্পানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেয় বাইডেন প্রশাসন।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় শ্বে বায়াইন ফিউ গ্রুপ অব কোম্পানিজ, এর প্রতিষ্ঠাতা থেইন উইন জাও এবং তাঁর পরিবারকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে।
মন্ত্রণালয় তখন জানায়, প্রতিষ্ঠানটি সামরিক বাহিনীর পক্ষে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিতরণ করত।
গত শুক্রবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের (ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট) ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানা গেছে।
নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার দাবিতে ওই নারী মামলা করেছিলেন।
গত সপ্তাহে এক প্রতিবেদনে জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বসানো সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে।
মিয়ানমারের নাগরিক থেইন্ট উইন থেটকে স্পেশালি ডেজিগনেটেড ন্যাশনালস অ্যান্ড ব্লকড পারসনস লিস্ট (এসডিএন তালিকা) থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
’ মুখপাত্র আরও বলেন, ‘বার্মার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারগুলো এগিয়ে নিতে প্রশাসন নানা উপায় কাজে লাগাচ্ছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





