জাতীয়যাচাই চলছে

অস্বাস্থ্যকর খাবারের স্বাদ স্বাস্থ্যকর খাবারের চেয়ে ভালো লাগে কেন

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
অস্বাস্থ্যকর খাবারের স্বাদ স্বাস্থ্যকর খাবারের চেয়ে ভালো লাগে কেন — যাচাইডেস্ক
এক নজরে
  • খাবারগুলো দেখতে ও স্বাদে আলাদা হলেও এগুলোর মধ্যে একটি মিল আছে
  • এগুলোর সব কটিতেই থাকে প্রচুর লবণ, বাড়তি চিনি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বি
  • যেমন গরম–গরম ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের বাইরের মচমচে আবরণ আর ভেতরের নরম অংশ কিংবা চকলেট কেকের মিষ্টি স্বাদ আমাদের আকৃষ্ট করে

২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বাক ইনস্টিটিউটের গবেষকেরা রান্না ও প্রক্রিয়াজাত খাবারে তৈরি হওয়া কিছু রাসায়নিক যৌগ নিয়ে গবেষণা করেন।

এভাবে স্বাদ, অভ্যাস, মানসিক অবস্থা ও খাবারের সহজলভ্যতা একসঙ্গে আমাদের খাদ্যাভ্যাসকে প্রভাবিত করে।

অস্বাস্থ্যকর খাবার কেন এত আকর্ষণীয়, তা নিয়ে বিজ্ঞানীরাও গবেষণা করছেন।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার, পটেটো চিপস, পিৎজা, কোমল পানীয়, চিকেন ফ্রাই কিংবা কুকিজ—নামগুলো শুনলেই খেতে ইচ্ছা করে, তাই না?

এসব উপাদান খাবারকে সুস্বাদু করে তোলে এবং বারবার খাওয়ার ইচ্ছা জাগাতে পারে।

অতিরিক্ত বই পড়লে কি কোনো অসুবিধা আছে. এর পেছনে মস্তিষ্কেরও ভূমিকা রয়েছে।

খাবার খাওয়ার সময় মস্তিষ্কে ডোপামিনসহ বিভিন্ন রাসায়নিকের কার্যক্রমে পরিবর্তন ঘটে।

ডোপামিন আনন্দ ও পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতির পাশাপাশি কোনো কিছু পাওয়ার আগ্রহের সঙ্গেও যুক্ত।

মানসিক চাপ, মন খারাপ কিংবা ব্যস্ততার সময়ও আমরা অনেকেই পছন্দের খাবারের দিকে ঝুঁকি।

এক টুকরা কেক বা চিজবার্গার খেলে সাময়িকভাবে ভালো লাগতে পারে।

আবার সহজে পাওয়া যায় বলে ব্যস্ততার মধ্যে ফাস্ট ফুড বা প্যাকেটজাত খাবার বেছে নিই।

কিছু এজিইস কীভাবে খাবার গ্রহণের প্রবণতাকে প্রভাবিত করে, গবেষকেরা তা

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।