জাতীয়নিশ্চিত [A]

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য জোরদারের আহ্বান পবন কুমার তুলশি দাসের

1 মিনিট পাঠ
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য জোরদারের আহ্বান পবন কুমার তুলশি দাসের — ছবি: ASaber91 (BY)
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য জোরদারের আহ্বান পবন কুমার তুলশি দাসের — ছবি: ASaber91 (BY)
এক নজরে
  • দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আহ্বান
  • শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূরীকরণে গুরুত্ব
  • বাণিজ্যিক যোগাযোগ জোরদারে যৌথ টাস্কফোর্সের প্রস্তাব

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শুল্ক-অশুল্ক বাধা দূরীকরণ এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার তুলশি দাস।

সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শুল্ক-অশুল্ক বাধা দূরীকরণ এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার তুলশি দাস।

দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূরীকরণ এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও জোরদারে যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার।

প্রতিবেদন দুটি মিলিয়ে দেখা যায়, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘিরে দীর্ঘদিনের আলোচনা ও সমঝোতার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে এই আহ্বান এল। শুল্ক-অশুল্ক বাধা কমানো গেলে দুদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য সুবিধা বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্যিক সম্পর্কের পরিধি আরও সম্প্রসারিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারের এই বক্তব্য কোন কোন ফোরামে এবং কখন দেওয়া হয়েছে, তার সময় ও স্থানের বিস্তারিত প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়নি। তবে বাণিজ্য জোরদারে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ চলছে এবং সেটিই এ ধরনের আহ্বানের প্রেক্ষাপট বলে প্রতীয়মান হয়।

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের জন্য ভারত একটি বড় বাজার। এ কারণে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘিরে ব্যবসায়ী মহলে সব সময়ই আলোচনা থাকে। শুল্ক-অশুল্ক জটিলতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ ওঠে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

বিশ্লেষকদের মতে, যৌথ টাস্কফোর্স গঠিত হলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রতিবন্ধকতা দ্রুত শনাক্ত ও সমাধানে সুবিধা হবে। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। দুই দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর গুরুত্বও আলোচনায় এসেছে বলে প্রতিবেদনগুলো থেকে প্রতীয়মান হয়। এই খবরটি সমকাল ও দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।