জাতীয়যাচাই চলছে

১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম, ক্ষুধা কমানোয় অগ্রগতি ধীর

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম, ক্ষুধা কমানোয় অগ্রগতি ধীর
এক নজরে
  • ২০২৬ সালের গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেস্কের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের ১২২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম
  • দীর্ঘ মেয়াদে অগ্রগতি হলেও এখনো দেশের প্রায় প্রতি চার শিশুর একজনের বয়স অনুযায়ী স্বাভাবিক উচ্চতা বাড়ছে না
  • ক্ষুধা দূর করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি আগের চেয়ে ধীরগতির হয়েছে

দেশ তিনটির অবস্থান যথাক্রমে ১০০তম (স্কোর ২৪.১), ১০৬তম (স্কোর ২৫.৫) ও ১০৮তম (স্কোর ২৮.৬)।

২০০০ সালে এই হার ছিল ৫৪ দশমিক ৯ শতাংশ, যা ২০১৮ সালে কমে হয় ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ।

২০১৮ সালে এ হার ছিল ৮ দশমিক ৪ শতাংশ, যা সর্বশেষ মূল্যায়নে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৯ শতাংশে।

একই সময়ে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার ৩ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে কমে ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

সূচকে ১০ দশমিক ২ স্কোর নিয়ে শ্রীলঙ্কার অবস্থান ৫৩তম এবং ১৪ দশমিক ৫ স্কোর নিয়ে নেপাল রয়েছে ৭২তম স্থানে।

প্রতিবেদনের তুলনামূলক তথ্য বলছে, ২০১৮ সালে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২০, যা এবার কমে ১৯ দশমিক ২ হয়েছে।

পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে উচ্চতার অনুপাতে ওজন কম হওয়ার (কৃশকায় বা তীব্র অপুষ্টি) হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক গড় স্কোর ২৩ দশমিক ৫, যা এই অঞ্চলে ‘গুরুতর’ মাত্রার ক্ষুধা নির্দেশ করছে।

গত বুধবার জার্মানির বার্লিনে এক অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।