জাতীয়নিশ্চিত

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের কার্যক্রম স্থগিত

প্রকাশিত: 2 মিনিট পাঠ
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের কার্যক্রম স্থগিত
এক নজরে
  • দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি ‌‘গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটি’ গঠন কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে
  • বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি গঠনের নিয়মে পরিবর্তন আনতে ২০২৬ সালের নতুন প্রবিধানমালার খসড়া তৈরি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটি গঠনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের ৩১ অগাস্ট বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির প্রবিধানমালা সংশোধন করা হয়।

দেশের সব বেসরকারি নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি গঠন কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

কলেজ পর্যায়ের পরিচালনা কমিটিকে গভর্নিং বডি এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের কমিটিকে ম্যানেজিং কমিটি বলা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি গঠনসংক্রান্ত প্রবিধানমালা, ২০২৬ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে ছবিতের এ নির্দেশনা দেন।

বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের পাঠানো হয়েছে।

প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, জনপ্রতিনিধি এবং কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তারাও সভাপতি হওয়ার সুযোগ পাবেন।

এতে কমিটির সভাপতি নির্বাচন ও মনোনয়ন পদ্ধতি, সভাপতির যোগ্যতা এবং ক্ষমতার ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

সভাপতির ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের অনুমোদনের পর সংশোধনীগুলো চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি

4টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।

আরও পড়ুন