বিশ্বায়নের তত্ত্বের আলোকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
- সারকথা বিশ্বায়ন ও গণমাধ্যমের ধারাবাহিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার এবং তার সাংস্কৃতিক প্রভাব নিয়ে এই প্রবন্ধ
- ম্যাকলুহানের বিশ্বগ্রাম, শিলারের সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ, রবার্টসনের গ্লোকালাইজেশন, আপ্পাদুরাইয়ের বৈশ্বিক প্রবাহ ও উপাত্ত উপনিবেশের ধারণার আলোকে লেখক দেখিয়েছেন, এআই শুধু তথ্য ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয় না; সংস্কৃতিকেই উপাত্ত ও কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে মুনাফার পণ্যে পরিণত করে
- আমাদের বারবারই বিশ্বায়নের গোড়ার আলাপে ফিরতে হবে
এআইয়ের অবকাঠামো, ভাষা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অল্প কয়েকটি রাষ্ট্র ও প্রযুক্তি কোম্পানির হাতে কেন্দ্রীভূত।
প্রবন্ধটির মূল কথা হলো, এআইকে মানবসংস্কৃতির সহায়ক শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এর উন্নয়ন ও ব্যবহারে ভাষাগত বৈচিত্র্য, ন্যায্য শ্রমনীতি, স্থানীয় নিয়ন্ত্রণ এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
আপ্পাদুরাই বিশ্বায়নকে বুঝতে পাঁচটি স্কেপ বা প্রবাহের কথা বলেছিলেন—মানুষ (এথনোস্কেপ), প্রযুক্তি (টেকনোস্কেপ), টাকাকড়ি (ফিন্যান্সস্কেপ), গণমাধ্যম (মিডিয়াস্কেপ) ও
অর্জুন আপ্পাদুরাই (১৯৯৬) তাঁর ‘মিডিয়াস্কেপ’ ধারণার মাধ্যমে এই আন্তসম্পর্ক ব্যাখ্যা করেছেন।
ইংরেজিনির্ভর ভাষা মডেল, অদৃশ্য ও স্বল্পমূল্যের শ্রম, অ্যালগরিদমিক পক্ষপাত এবং এআই গ্রহণকে অনিবার্য হিসেবে তুলে ধরার প্রবণতা এই সংকট আরও বাড়াচ্ছে।
বিশ্বায়ন নিয়ে আলাপ নব্বই বা শূন্য দশকে যতটা হয়েছে, এখন আর ততটা হয় না—যেন এই বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া হয়েছে।
বিশ্বায়ন সব সময়ই গণমাধ্যমের মধ্য দিয়ে বিস্তার লাভ করেছে।
বৈশ্বিক গণমাধ্যম ছিল বলেই মুক্তবাজারের পণ্য ও সেবার খবর টেলিগ্রাফ থেকে টেলিভিশন, স্যাটেলাইট সম্প্রচার থেকে স্মার্টফোন—সীমান্ত পেরিয়ে তথ্য বহনকারী প্রযুক্তিগুলো একই সঙ্গে সংস্কৃতিকেও বহন করেছে; ফলে মানুষ কী দেখে, কী কেনে, কী বিশ্বাস করে এবং নিজেদের কীভাবে কল্পনা করে, তা প্রভাবিত হয়েছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।




