শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে এ বিস্ফোরণ হয় বলে জানিয়েছে দৈনিক ইত্তেফাক। এর কিছুক্ষণ আগে হাইকোর্টের সামনেও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে।
বাংলা ট্রিবিউনও একই তথ্যে খবর প্রকাশ করেছে। শিল্পকলা একাডেমির সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের খবর নিশ্চিত করেছেন রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, শিল্পকলা একাডেমির সামনের অংশে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে; খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
দুই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের সামনেও কিছুক্ষণ আগে একই ধরনের ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ফলে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় দুটি বিস্ফোরণের খবরে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং পথচারীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়ায়। পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে এবং এলাকার বিস্ফোরক দ্রব্য পরীক্ষা করে দেখে। এতে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
রাজধানীর উচ্চ আদালত এলাকা, জাতীয় জাদুঘর ও শিল্পকলা একাডেমির সংলগ্ন সড়কে এমন বিস্ফোরণ একদিকে নিরাপত্তা প্রশ্ন, অন্যদিকে জনমনে আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে। কে বা কারা এই ককটেল নিক্ষেপ করেছে, তা খুঁজতে পুলিশ প্রশাসন গুরুত্ব সহকারে তদন্ত শুরু করেছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিস্ফোরণে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে প্রাথমিক বিবরণে জানানো হয়েছে। এ ঘটনার পর ওই এলাকায় পুলিশের টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে হাইকোর্ট ও শিল্পকলা একাডেমির সংলগ্ন এলাকায় পরপর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই অংশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নাগরিকেরা। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানও সংগ্রহ করছে।
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামোর এমন গুরুত্বপূর্ণ বিন্দুতে ছিন্নভিন্নভাবে ককটেল বিস্ফোরণের খবর রাজধানীবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা পরিস্থিতির সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করার উপর জোর দিচ্ছেন। এই খবরটি দৈনিক ইত্তেফাক ও বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।