জাতীয়যাচাই চলছে

প্লাস্টিক দূষণ থেকে জাতিকে মুক্ত করতে যা যা করা দরকার সব করব: পরিবেশমন্ত্রী

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
প্লাস্টিক দূষণ থেকে জাতিকে মুক্ত করতে যা যা করা দরকার সব করব: পরিবেশমন্ত্রী
এক নজরে
  • প্লাস্টিকের এ দূষণ থেকে জাতিকে মুক্ত করতে যা যা করা দরকার, সব করব
  • জাতিকে এ দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে যা যা করা দরকার, তার সবই সরকার করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন

১৯৯০ থেকে ২০১৮ সাল—এই ২৮ বছরে দেশে প্লাস্টিকের ব্যবহার ১৫ হাজার টন থেকে বেড়ে ১৮ লাখ টনে পৌঁছেছে।

’ . প্লাস্টিক দূষণ কমিয়ে এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ইপিআরের প্রশংসা সবাই করলেও এর মূল চ্যালেঞ্জ হলো বাস্তবায়ন।

গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্লাস্টিক দূষণ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে এনে এ বর্জ্যের টেকসই ব্যবস্থাপনা এককভাবে কারও পক্ষে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

গত ২৮ বছরে দেশে প্লাস্টিকের ব্যবহার ৮০ গুণ বেড়েছে জানিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমরা অন্যান্য দেশের তুলনায় খারাপ অবস্থায় আছি।

‘প্লাস্টিক বর্জ্যের ব্যবস্থাপনা: উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব (ইপিআর–২০২৬)’ শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠক যৌথভাবে আয়োজন করে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও।

বুড়িগঙ্গার তলদেশে ৬ থেকে ৮ ফুট প্লাস্টিকের স্তর জমে আছে।

এ ছাড়া প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘প্লাস্টিক একটা ভয়াবহ দুর্যোগ তৈরি করছে আমাদের জন্য।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।