সাতক্ষীরার বস্তিতে বাস্তুচ্যুত পরিবারের ৭৪.৯ শতাংশ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায়: খানি বাংলাদেশ

- ৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুদের ৩৩ দশমিক ২ শতাংশ বিদ্যালয়ে নথিভুক্ত নয়
- গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, জরিপে অংশ নেওয়া ৯৫ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবারের অন্তত একজন সদস্য খাবার কম খেয়েছেন বা কোনো বেলা বাদ দিয়েছেন
- ৫২ দশমিক ২ শতাংশ পরিবারের সদস্য অন্তত এক দিন পুরোপুরি না খেয়ে থেকেছেন
সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩৫টি বসতির ৩৫৮টি পরিবারের ১ হাজার ৩৪১ জন সদস্যের তথ্য নিয়ে গবেষণাটি করা হয়।
খাবার জোগাড় করতে ৫৭ দশমিক ৩ শতাংশ পরিবার উৎপাদনশীল সম্পদ বা প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রী বিক্রি করেছে।
জরিপে অংশ নেওয়া এসব পরিবারের মাত্র ৭ দশমিক ৫ শতাংশ সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় রয়েছে।
খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক খানি বাংলাদেশ ও পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্কের (প্রান) এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
জরিপে অংশ নেওয়া ৯৬ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার আংশিক বা পুরোপুরি লবণাক্ত ও আয়রনযুক্ত অগভীর নলকূপের পানির ওপর নির্ভরশীল।
গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, সরকারি জমিতে অনানুষ্ঠানিকভাবে বসবাসকারী পরিবারের ৫৯ শতাংশ উচ্ছেদ বা উচ্ছেদের হুমকির মুখে রয়েছে।
খানি বাংলাদেশ, তাদের সদস্য সংগঠন স্বদেশ সাতক্ষীরা এবং প্রান যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে।
এসব পরিবারের বড় অংশ শ্যামনগর ও আশাশুনিসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে এসেছে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, পৌরসভার ৪৭টি অনানুষ্ঠানিক বসতিতে প্রায় ৭ হাজার ৫৭৩টি পরিবার বসবাস করছে।
আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সাতক্ষীরায় আয়োজিত এক বহুপক্ষীয় সংলাপে ‘ডিসপ্লেসড, ডিনায়েড’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সহিষ্ণুতার শুরু নিজ ঘর থেকেই’।
গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রানের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর উম্মে সালমা।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





