শিকড়ের টানে লন্ডন থেকে গ্রামে ফেরা, মানুষের জন্য উৎসর্গ জীবন

- জীবনে যা অর্জন করেছি, তার একটি অংশ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করে যেতে চাই
- লন্ডনে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করার সময়ও এসব স্মৃতি তাকে জন্মভূমির মানুষের জন্য কিছু করার তাগিদ দিয়েছে
- লন্ডনে দীর্ঘ কর্মজীবন মনইল-কানুপুর গ্রামের একটি মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে জন্ম ওসমান গণির
’ ওসমান গণির ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রাম ও আশপাশের এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে এ পর্যন্ত তিনি নিজের উপার্জিত অর্থ থেকে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন।
১৯৭৩ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এনএইচএসে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেন।
পাশাপাশি দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য চালু করেছেন শিক্ষাবৃত্তি।
১৯৫৭ সাল থেকে দেশ-বিদেশে চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
দীর্ঘ প্রবাসজীবনে পেশাগত সাফল্য অর্জন করলেও শৈশবের গ্রামের মানুষের অভাব-অনটনের কথা ভুলতে পারেননি তিনি।
লন্ডনে চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত জীবন, উন্নত পরিবেশে বসবাস এবং পরিবারের সঙ্গে অবসর কাটানোর সুযোগ—সবই ছিল তার।
ঠিক করেছিলাম, জীবনের বাকি সময় গ্রামের মানুষের সঙ্গে কাটাব।
এসব কাজে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নেননি বলেও জানান তিনি।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্মাণ করেছেন বিজ্ঞান ভবন ও পাঠাগার।
স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠা করেছেন ডা. ওসমান গণি পলিক্লিনিক।
ছোটবেলায় গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও আবাসনের সংকট কাছ থেকে দেখেছেন।
মনইল-কানুপুরের নিজ বাড়িতে বর্তমানে একাই থাকেন ওসমান গণি।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





