আহমদ রফিক আদর্শ থেকে কখনো বিচ্যুত হননি

- ১৯৪৭ সালে হরগঙ্গা কলেজে অধ্যয়নকাল থেকেই আহমদ রফিক ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন বলে জানান আহমদ রফিক ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সাদী
জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নিজের আদর্শ থেকে কখনো বিচ্যুত হননি।
মফিদুল হক, ট্রাস্টি, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর . স্বাধীনতার আগে ও পরে সাহিত্য ও সংস্কৃতির ে আহমদ রফিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন উল্লেখ করে মফিদুল হক বলেন, স্বাধীনতার পর বড় ব্যবসায়ী হওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আহমদ রফিক সেদিকে পা বাড়াননি; বরং লেখালেখি ও সাহিত্যচর্চাকেই আঁকড়ে ধরেছেন।
অনুষ্ঠানে গবেষক ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, ‘আহমদ রফিক সব সময় নিজেকে নিজেই অতিক্রম করে গেছেন।
অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী বলেন, তরুণদের আহমদ রফিক অনেক বেশি ভালোবাসতেন।
পেশায় ডাক্তার হলেও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে তাঁকে বছরের পর বছর হুলিয়া মাথায় নিয়ে ফেরারি জীবন কাটাতে হয়েছে এবং তিনি ঠিকমতো পরীক্ষাতেও অংশ নিতে পারেননি।
বামপন্থী আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর গভীর যুক্ততা ও কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে সংযোগ থাকলেও পার্টির সংকীর্ণ আনুষ্ঠানিকতা তাঁকে পীড়িত করেছিল।
৫০-এর দশকে সমসাময়িকেরা যখন কবিতা লিখছিলেন, তিনি ৫৮ সালেই অনন্য প্রবন্ধগ্রন্থ শিল্প সংস্কৃতি জীবন প্রকাশ করে
আজ শনিবার সন্ধ্যায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ‘মহিমা তব উদ্ভাসিত’ শিরোনামে এ স্মরণসভার আয়োজন করে ‘খামখেয়ালী সভা’।
বাংলাদেশে ইতিহাস সৃষ্টিকারী বহু ঘটনার প্রথম দিকের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





