জাতীয়যাচাই চলছে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে বেকার তৈরির কারখানা বলা হয়, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন: উপাচার্য আমানুল্লাহ

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে বেকার তৈরির কারখানা বলা হয়, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন: উপাচার্য আমানুল্লাহ
এক নজরে
  • ইউজিসি গবেষণায় দেবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান, আবেদন করবেন যেভাবে . অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের জ্ঞান ও পরিকল্পনা প্রশংসনীয়
  • ঢাকা বিভাগের স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও প্রফেশনাল পর্যায়ের ৩৭০টি কলেজের অধ্যক্ষদের মধ্যে এ সিম বিতরণ করা হয়
  • আজ বুধবার রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী কলেজের অডিটোরিয়ামে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গ্রামীণফোনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘কানেক্টিং এভরি ক্যাম্পাস’ সিম বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য এ কথা বলেন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস এম আমানুল্লাহ।

উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তুলতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম ও সিলেবাসে বড় ধরনের সংস্কার চলছে।

শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে এই উন্নয়ন গবেষক বলেন, শিক্ষকদের আইসিটিবিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

যেসব কলেজে আইসিটি ল্যাব নেই, সেসব কলেজে ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশে–বিদেশে বিভিন্ন খাতে কাজ করছেন।

পাঠ্যক্রম এমনভাবে সাজানো হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা চাকরির প্রতিযোগিতায় নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেন।

পাশাপাশি চাকরির ওপর নির্ভর না করে নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেও আয় করতে পারেন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সিলেবাস সংস্কারের অগ্রগতি তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের সিলেবাস ভ্যালিডেশন শেষে আপলোড করা হয়েছে।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।