উচ্চশিক্ষিত বেকারত্ব ও শ্রমবাজারে লুকিয়ে থাকা বাস্তবতা

- চাকরিপ্রত্যাশী উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ১৭ শতাংশের বেশি দুই বছরের বেশি সময় ধরে বেকার থাকেন
- বিআইডিএসের গবেষণাও বলছে, নিয়োগকর্তাদের কাঙ্ক্ষিত দক্ষতার প্রায় ৩০ শতাংশ শ্রমবাজারে
- প্রথমত, দেশে তীব্র কাজের ঘাটতি রয়েছে; যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) হিসাবে প্রতিবছর সাত লাখের বেশি শিক্ষার্থী স্নাতক পাস করছেন, সেখানে ব্যবসা ও বিনিয়োগের স্বাভাবিক পরিবেশে দেশ বড়জোর তিন লাখ স্নাতককে চাকরি দিতে পারে
বর্তমানে পরিস্থিতি আরও জটিল; কারণ, বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ অনুযায়ী, গত ও চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে আসায় বছরে নিট নতুন কর্মসংস্থান হবে মাত্র ৬ লাখ ৩০ হাজারের মতো, যা নতুন স্নাতকদের সংখ্যার চেয়েও কম।
অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণে সরকারের গঠিত টাস্কফোর্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্নাতক পাস তরুণদের প্রায় ৬০ শতাংশই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ থেকে আসেন, যাঁদের বড় অংশ মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী; অথচ নিয়োগকর্তারা খোঁজেন হিসাব, বিক্রয়, তথ্য বিশ্লেষণ বা প্রযুক্তির মতো হাতে-কলমে দক্ষতা।
জেলা শহরের মেধাবী শিক্ষার্থী, পরিবারের প্রথম স্নাতক কিংবা সুপারিশ করার মতো কেউ নেই—এমন তরুণের জন্য সুযোগের দরজা অনেকটাই বন্ধ।
বেকারত্বের আলোচনা সাধারণত চাকরির সংখ্যা ঘিরেই আবর্তিত হয়, তবে তথ্য-উপাত্তের গভীর বিশ্লেষণে এই সমস্যার তিনটি ভিন্ন স্তর স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
দ্বিতীয় স্তরটি হলো দক্ষতার অমিল, যেখানে সনদ থাকলেও তরুণদের কাজের প্রস্তুতি থাকছে না।
কাজের ঘাটতির সঙ্গে দক্ষতার অমিল এবং যোগ্য চাকরিপ্রার্থী ও খালি পদের মধ্যে সংযোগের অভাব সংকটকে আরও গভীর করছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





